তাফসীরে মুযিহুল কুরআন
শাহ আবদুল কাদের দেহলভী (রহ.)
✍️ লেখক পরিচিতি
উপমহাদেশের প্রখ্যাত আলেম, মুফাসসির ও সংস্কারক—
যিনি দীর্ঘ ৪০ বছর কুরআনের ব্যাখ্যাকে সাধারণ মানুষের
বোধগম্য করে তোলার ক্ষেত্রে ঐতিহাসিক ভূমিকা পালন করেছেন।
🌍 ঐতিহাসিক গুরুত্ব
তাফসীরে মুযিহুল কুরআন রচিত হয়েছিল প্রায় ২০০ বছর আগে, এমন এক সময়ে—
যখন উপমহাদেশে কুরআনের তাফসীর বলতে মূলত অন্য অঞ্চল (আরব ও আজম)
থেকে আগত তাফসীরের অনুবাদই প্রচলিত ছিল।
এই গ্রন্থটি ছিল উপমহাদেশের কোনো আলেমের লেখা প্রথম মৌলিক তাফসীর,
যা এখানকার ভাষা, সংস্কৃতি ও পাঠকের মানসিকতা বিবেচনায় রচিত।
কেন একে “ইলহামী তাফসীর” বলা হয়?
অনেক আলেম ও গবেষকের মতে— এই তাফসীরের ভাষা, ভাব ও ব্যাখ্যার গভীরতা
এতটাই স্বতঃস্ফূর্ত ও হৃদয়গ্রাহী যে এটিকে ‘ইলহামী তাফসীর’ বলেও অভিহিত করা হয়।
- কুরআনের মূল বার্তা
- সহজ ভাষা
- গভীর অর্থ
“উর্দূ ভাষায় যদি কুরআন নাযিল হতো,
তবে তার বাচনভঙ্গি এমনই হতো।”
— মাওলানা কাসেম নানুতুবী (রহ.)
এই একটি উক্তিই প্রমাণ করে দেয়— তাফসীরে মুযিহুল কুরআনের ভাষাগত মান
ও গভীরতা কতটা উচ্চস্তরের।
📚 তাফসীরটির বৈশিষ্ট্য
- অত্যন্ত সহজ ও প্রাঞ্জল ভাষা
- সাধারণ মুসলিমের জন্য উপযোগী ব্যাখ্যা
- কুরআনের মর্মার্থ হৃদয়ে পৌঁছে দেয়
- অতিরিক্ত জটিলতা ও দর্শনচর্চা পরিহার
- দীর্ঘদিন ধরে আলেমসমাজে সমাদৃত
👥 কারা পড়বেন?
- কুরআন বুঝে পড়তে আগ্রহী সাধারণ মুসলিম
- মাদরাসার ছাত্র ও শিক্ষক
- ইমাম, খতিব ও দাঈ
- ঐতিহাসিক ও মৌলিক তাফসীর সংগ্রাহক
- পরিবারভিত্তিক কুরআন অধ্যয়নকারীরা
🛒 কেন এখনই সংগ্রহ করবেন?
- উপমহাদেশের তাফসীর ঐতিহ্যের অমূল্য নিদর্শন
- সহজ ভাষায় কুরআন বোঝার নির্ভরযোগ্য মাধ্যম
- গবেষণা ও ব্যক্তিগত অধ্যয়নের জন্য অপরিহার্য
- সীমিত সংখ্যক ক্লাসিক গ্রন্থের একটি
📖 বইয়ের তথ্য
বিষয়তাফসীরুল কুরআন
বৈচিত্র্যউপমহাদেশের আঞ্চলিক দৃষ্টিকোণ থেকে সহজবোধ্য ভাষায় ব্যাখ্যা
খন্ড সংখ্যা৩ খন্ডে সমাপ্ত
মোট পৃষ্ঠা১৪৮৮ পৃষ্ঠা
মুদ্রিত মূল্য২৪০০ টাকা
বাইন্ডিংহার্ড কভার
কাগজক্রিম অফসেট কাগজে ছাপা